Message From Principal

 

M.A . KALAM

B.S.C, B.E.D, COURSE IN ENG.
M.A. (Eng)
Head Master
01819140452

প্রধান শিক্ষকের কথা

মানব সম্পদ বিনির্মানের লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জনের ক্ষেএে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাস্তর হচ্ছে ভবিষ্যত উজ্জল জীবন গঠনের গুরুত্বপূর্ণ সোপান। এই স্তরে অর্জিত জ্ঞানের উপর ভবিষ্যত সাফল্যের অনেকাংশ নির্ভরশীল। বিদ্যালয়ের মেধাবী ও দক্ষ শিক্ষক-শিক্ষিকার তত্ত্বাবধানে সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতির পরীক্ষায় শিক্ষার্থীর ভাল ফলাফল ও কৃতিত্ব অর্জন সম্ভব। তাই মেধাবী ও দক্ষ শিক্ষক-শিক্ষিকা হচ্ছে বিদ্যালয়ের প্রাণ ও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। যুগোপযোগী কলাকৌশল প্রয়োগ করে শিক্ষার্থীদের মননশীল ও সৃষ্টিশীল প্রতিভা বিকাশসাধনের মাধ্যমে কার্যকর ও ফলপ্রসুু শিক্ষা দানে ফেনী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকবৃন্দ অাত্ননিবেদিত ও বদ্ধপরিকর । প্রকৃত মনুস্যত্ব অর্জনে শুধুমাত্র পুঁথিগত বিদ্যার্জন যথেষ্ঠ নয়। পুথিগত বিদ্যার পাশাপাশি শিক্ষার্থীর চিত্তন দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে অংশগ্রহনমূলক শিক্ষাদানে নির্ধারিত বাড়ির কাজ ও শ্রেণীর কাজ আদায়, সেমিষ্টার পদ্ধতি, এস,বি,এ অনুসরণ, সাপ্তাহিক পরীক্ষা পদ্ধতি, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক ছাড়া, কবিতা, গান, গল্প, প্রবন্ধ, রচনা, দেয়ালিকা লেখার অভ্যাস গঠন, চিত্রাংকন, খেলাধুলা, বির্তক অনুষ্ঠান প্রভৃতি কর্মকান্ডে শিক্ষার্থীর অনুপ্রানীত ও নিয়োজিত করে শিক্ষার্থীদের মননশীল ও সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশ সাধনে অত্র বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ শিক্ষকতার মহান পেশাকে জীবনের ব্রতী হিসাবে গ্রহণ করে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
শিক্ষার্থীর মনুষ্যত্ব অর্জন ভালো ফলাফল ও কৃতিত্ব অর্জনের জন্য শিক্ষক-শিক্ষিকার পাশাপাশি পিতা-মাতা বা অভিভাবকের ভূমিকা অপরিহার্য। শিক্ষার্থীর সুস্থ মানসিক বিকাশের জন্য সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ, পারিবারিক শৃংঙ্খলা ও নিয়ন্ত্রন, নৈতিক মূল্যবোধ, আদর্শচরিত্র গঠন, একাগ্রতা, দায়িত্ব ও কর্তব্য সচেতনতা, সত্যবাদিতা, সৎ কাজে আতœনিয়োগ ইত্যাদি গুনাগুন শিক্ষার্থীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে ফুটে উঠা একান্ত জরুরী। এই সকল গুনাবলীর অধিকাংশই শিক্ষার্থী আপন পরিবেশে পিতা-মাতা, ভাইবোন, অাত্নীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব, শিক্ষক-শিক্ষিকাকে অনুসরণ ও নিদের্শনার মাধ্যমে শিখে থাকে। তাই সন্তান, সন্ততিকে আদর্শ ভাবে গড়ে তোলার জন্য শিক্ষক-শিক্ষিকার পাশাপাশি পিতা-মাতা বা অভিভাবককে ও ভূমিকা পালন করতে হবে।
আনুষ্ঠানিক শিক্ষায় প্রাতিষ্ঠানিক সকল বিধি-বিধান নিয়মিত অনুসরণ ও প্রতিপালন করতে পারলে যে কোন শিক্ষার্থীর পক্ষে কৃতিত্ব অর্জন সম্ভব।
পিতা-মাতা, অাত্নীয়স্বজন, শিক্ষক, পারিবারিক ও সামাজিক জনগোষ্টির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সৃষ্টি হতে পারে আদর্শ ও বিবেকজ্ঞান সম্পন্ন মানুষ, যার ফলশ্রুতিতে বিনির্মান হতে পারে শান্তির পরিবার, সভ্য সমাজ ও জাতি এবং উন্নত দেশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *